রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় ফাঁ`সি থেকে মুক্ত, ফের খু`ন করলেন যুবলীগ নেতা

প্রকাশিত: ৪:১০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৪, ২০২০

রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় ফাঁ`সি থেকে মুক্ত, ফের খু`ন করলেন যুবলীগ নেতা

আবার খু’ন করলেন যুবলীগ নেতা- রাষ্ট্রপতির কাছে প্রা’ণ ভিক্ষা চেয়ে ফাঁ’সির দ’ণ্ড থেকে মুক্তি পাওয়ার ৩ বছর পরে ফের হ’ত্যা মা’মলার প্রধান আসামী হয়েছেন ফরিদপুরের সদরপুর উপজে’লা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আসলাম ফকির। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসলাম ফকির ২০০৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজে’লার মানিকদহ ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম সাহেদ আলী ওরফে সাহেব আলী মিয়াকে হ’ত্যা করেন।

সেই ঘটনায় তার ফাঁ’সির আদেশ হয়েছিল। তবে ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক সাংসদ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহর তৎপরতায় সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি।

জে’ল থেকে মুক্তি পাওয়ার ৩ বছরের মা’থায় এবার ভাঙ্গা উপজে’লার মানিকদহ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের শহীদ মাতুব্বরকে খু’নের অ’ভিযোগ সরাসরি আসলাম ফকিরের বি’রুদ্ধে। এই হ’ত্যা মা’মলায় আসলাম ফকিরকে প্রধান আ’সামি করে ৫৪ জনের বি’রুদ্ধে মা’মলা করা হয়েছে।

জানা গেছে, ২১ এপ্রিল রাত সাড়ে আটটায় লক্ষ্মীপুর গ্রামে বাড়ির বৃষ্টির টিনের পানি আরেক বাড়িতে পড়া নিয়ে আবারও দুদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সং’ঘর্ষ হয়। এরপর আসলাম ফকির ও তার সঙ্গীদের সঙ্গে একই এলাকার শাজাহান মাতুব্বরের সম’র্থকদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। একপর্যায়ে আসলাম ফকিরের লোকজন শাজাহান মাতুব্বরের সম’র্থক শহীদকে এ’লোপা’তাড়ি কু’পিয়ে জ’খম করেন। শহীদ পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে মা’রা যান। তিনি একজন কৃষক ছিলেন। তিনি নিক্সন চৌধুরীর কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

এ বিষয়ে ভাঙ্গা থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা শফিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, একটি ছোট ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসলাম ফকিরের নেতৃত্বে এত বড় সং’ঘর্ষ হয়। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়ে কা’রাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর থেকে তিনি যা ইচ্ছা তা-ই করছেন। তিনি থা’না-পু’লিশ কাউকে পরোয়া করেন না। তার বি’রুদ্ধে আগেও থা’নায় অ’ভিযোগ এসেছে। মূলত স্থানীয় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে এই দুই গ্রুপের সং’ঘর্ষ হয়েছে। তিনি বলেন, এ মা’মলার প্রধান আ’সামি আসলাম ফকির প’লাতক। আ’সামিদের দ্রুত গ্রে’প্তার করা হবে।

তত্য ও সূত্রঃ সময় টিভি

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ