নেইমার, এমবাপ্পে, ডি মারিয়াদের কাঁদিয়ে শিরোপা জিতলো বায়ার্ন মিউনিখ

প্রকাশিত: ১২:১৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৪, ২০২০

নেইমার, এমবাপ্পে, ডি মারিয়াদের কাঁদিয়ে শিরোপা জিতলো বায়ার্ন মিউনিখ

স্পোর্টস ডেস্ক,খেলাযোগ বিডি টোয়েন্টিফোরঃ
দল হারার পরে নিজের হতাশা লুকালেন না পিএসজি কোচ থমাস টাচেল। বায়ার্নকে যোগ্য দলের কৃতিত্ব দিলেও তিনি বলেন, ম্যাচে পাওয়া সুযোগগুলো হেলায় হারিয়েছে তার দল। বিপরীতে শিষ্যদের প্রশাংসার বাণে ভাসিয়েছেন বায়ার্ন কোচ হ্যান্সি ফ্লিক। এই ট্রফি করোনাকালে সমর্থকদের জন্য উৎসর্গ করেছেন তিনি।

এতো কাছে তবু কতদূরে। স্বপ্নভঙ্গের বেদনায় নীল গোটা প্যারিস। যেন জার্সির রংটাই ক্লাবটার প্রতীক। ইকার্দি, নেইমার, ডি মারিয়া, সিলভা কিংবা এমবাপ্পে। কেউ কাঁদছেন, কেউবা মুখ লুকাচ্ছেন। অথচ এ ম্যাচকে ঘিরে কতই না স্বপ্ন ছিলো। স্তাদিও দ্য লুজে সেই স্বপ্ন হয়েছে দুঃস্বপ্ন।

এক প্যারিসিয়ানের গোলেই কপাল পুড়েছে প্যারিসিয়ানদের। তবুও শিষ্যদের আগলেই রাখছেন পিএসজি বস টাচেল। নেইমার, এমবাপ্পেদের হাস্যকর সব ভুলকে খেলার অংশ হিসেবেই দেখছেন তিনি। এমনকি এ ম্যাচকে ঘিরে পরিকল্পনায় কোন ভুল ছিলো না বলেও দাবি তার।

পিএসজির কোচ থমাস টাচেল বলেন, ‘সত্যি বলছি। ছেলেদের নিয়ে আমি গর্বিত। ওরা শেষ পর্যন্ত লড়েছে। দেখুন বায়ার্নের মতো দলের বিপক্ষে জয় পাওয়াটা যে সহজ হবে না সেটা আমরা জানতাম। আমরা অনেক সুযোগ পেয়েছি যেগুলো কাজে লাগাতে পারিনি।

কয়েকবার গোলের খুব কাছেও গিয়েছিলাম। এটা খেলারই অংশ। নয়্যার বরাবরের মতো আজও দুর্দান্ত ছিলো। ওই ব্যবধান গড়ে দিয়েছে। তবে এটা আমাদের নতুন দিনের সূচনা। যেখান থেকে শুধু সামনেই এগিয়ে যাওয়া যায়।’

বিপরীতে এই মুহূর্তে পৃথিবীর সেরা সুখী মানুষটি বোধহয় মিউনিখ কোচ হ্যান্সি ফ্লিক। শুধু দলকে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বানানোই নয়, পুরো আসরে যে দোর্দণ্ড প্রতাপের ফুটবল খেলেছে বায়ার্ন, তার নেপথ্যের কারিগর তো এই জার্মান কোচই। তবুও সেই রোমাঞ্চকে পাশ কাটিয়ে জয়ের পুরো কৃতিত্ব শিষ্যদের দিলেন তিনি।

বায়ার্ন মিউনিখ কোচ হ্যান্সি ফ্লিক বলেন, ‘এটা আমার কোচিং ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত। মনে হচ্ছে একটা ঘোরের মধ্যে আছি। ছেলেদের বলেছিলাম ফাইনাল হারার চেয়ে বিশ্রী কিছুই হতে পারে না। ওদের নিয়ে আমি গর্বিত।

তবে পিএসজিও দারুণ ফুটবল খেলেছে। করোনার মহামারীর মধ্যে এই ট্রফিটার মাহাত্ম্য, বায়ার্ন সমর্থকদের কাছে অন্যরকম। তাদের জন্য কিছু করতে পেরে আমরা খুশি।

নিজেদের ক্লাব ইতিহাসের দ্বিতীয়বারের মতো ট্রেবল জয় উদযাপনের মাঝেও ছেলেদের সুপার কাপের কথা মনে করিয়ে দিলেন ফ্লিক। ২৪ সেপ্টেম্বর যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ সেভিয়া।’

Sharing is caring!